12:50 AM
Rochester Tce
Brisbane

ONE.
It was a long day. I wake up early in the morning to attend in a class. It was unprecedented traffic congestion today at Brisbane, took 25 mins to reach at uni where it suppose to take 15 mins. Eventually I was late 10 mins to enter the class.
Anyway, it is weekend that’s why a little bit break to take a deep breath. Yep, I had a drive to Munt. Cota, the top Mountain in Brisbane. It is always wonderful visiting Mount Cota. I kinda fond of that place.

Dear Diary,
Last few days I was, well, .. my thought was pretty much provoked. It is something running after me…! Can’t understand even explain, however,
আমার ল্যাবমেইট, ডায়ানা, খুবই ভালো একটা মেয়ে। আমি ব্রিসবেনে আসার পর ও আমাকে বিভিন্নভাবে হেল্প করেছে। ওর আসল নাম  Wenjiao Liu,  প্রায় সবচাইনিজদেরই  একটা ইংলিশ নাম আছে। ও ওর নাম দিয়েছে ডায়ানা। প্রথম দিন আমি ভেবেছিলাম ‘তাইয়ানা’। সাধারনত চাইনিজদের মিক্সড রিপুটেশন আছে। People don’t like them much, infact, most of them are little bit callous, not amicable and very poor in English. But Diana is a very complete ‘different’ among them. She is very lively, amicable and most importantly very good in English and hence in communication. ও আমার আগে ল্যাবে জয়েন করে। মাস্টার্স করছে মেয়েটা। ও আসার কিছু দিন পরই সুপারভাইজরকে ম্যানেজ করে ওর বয় ফ্রেণ্ডকে নিয়ে আসে। That guy is also very good looking, Name Silver. But the actual name is Huuiben Zhang. They are very good match. Well..to me, something more than match.
But I must add, Diana is more smart than Silver.

ডায়ানার ইনোসেন্স  রিমার্কেবল। ও হাসি দিয়ে কথা বললে মনে হয় ও যা বলছে সত্যি। হা হা,
আবার অনেক সময় অনেক কিছুই সে বোঝে না। বোকা বোকা দৃস্টিতে তাকায়। এটা থেকেও ওর ইনোসেন্স এর বহিঃপ্রকাশ পাওয়া যায়। একাধিক বার আমার প্রফেসর ডায়ানার সুনাম করেছে।

Anyway, sometimes she used to share her future plan with me. By the way, I get her very helpful at the very beginning with me because she have had visited Dhaka once. And her voice, she liked Dhaka very much. She used to stay at Hotel Raddisson and got very warm receptions by her invitees.

তাই শুরু থেকেই ও বেশ ইজি এবং ফ্রেন্ডলি ব্যবহার করতো আমার সাথে। এখানে চাইনিজদের সাধারনত আমরা গালিগালাজ করি। শুধু আমরাই নয়, ওজি রাও ওদের ইয়োলো মানকি বলে। কিন্তু ডায়ানা ওদের ভিতরে বেশ বিপরীত একটা উদাহরন। বেশ সম্ভ্রান্ত ফ্যামিলি থেকে সে এসেছে। এটাই হয়তো মুল কারন।

ডায়ানা ধর্ম কি বোঝে না। যেহেতু ধর্মের বিষয়ে আমার আগ্রহ আছে, মাঝে মাঝে ওর সাথে ধর্মের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে জেনেছি। তার কথা অনুসারে, সে ধর্মকি বোঝে না, কেনো প্রয়োজন তাও জানে না। কখনো চিন্তাও করেনি, সে জাস্ট এম্পটি এই বিষয়ে। আমি যখন হালাল ফুড না বলে অনেক খাবার খাই না, ও তখন বেশ মজা পায়। আমি খাচ্ছি না দেখে যখন অন্যকেউ এসে প্রশ্ন করে, তুমি খাচ্ছ না কেনো? তুমি কি ভ্যজিটেরিয়ান? ও তখন লাফিয়ে এসে আনন্দ চিত্তে তাদের জানায়; ফিদা, খায় না কেননা ‘ফুড মেক’ করার সময় প্রার্থনা করা হয় নি। বলে সে হাত দুটো এক করে প্রার্থনার ভঙ্গী করে আর হাসতে থাকে। আর সবাই হেসে উঠে।

ডায়ানা আর সিলভার একইসাথে থাকতো। লিভ টুগেদার। বাট তারা ম্যারিড না। কিন্তু এতটাই ডিসেন্ট ওরা যে ওদের ভিতরে আলগা ছেলে-মেয়ে ঘটিত বিষয় গুলো ছিলো না। আমি কখনোই দেখিনি ওদের সবার সামনে আদিক্ষেতা করতে। যেটা সাধারনত অন্যরা করে থাকে। কিন্তু তারা একই সাথে থাকতো, সে যাই হোক।

ডায়ানা আর সিলভার খুব হইচই করে এবার চায়নায় এক মাসের ছুটিতে গেলো। আমি ছুটি থেকে আসার পর পরই ওরা গেলো। প্রায় দুই বছর পর যাচ্ছে। দারুন আনন্দিত দেখতে পেলাম ওদের। সম্ভবত চাইনিজ এনুয়াল ফেসটিভ্যালকে ঘিরে ওরা গিয়েছিলো।

সময় বয়ে যায়।
অস্ট্রেলিয়াতে একটু তাড়াতাড়িই যায়। দুই দুই টা দিন উইকেন্ড থাকার পরেও কিভাবেই যেন সময় চলে যায়।
সেদিন আমি সকালে অফিসে যাওয়ার সময় হঠাৎ করেই মনে হচ্ছিলো, আচ্ছা ডায়ানা-সিলভার তো এখনো এলো না। অফিসে গিয়েই দেখি ডায়ানা তার ডেস্কে বসে আছে, সিলভার কে দেখতে পেলাম না। আমি গিয়ে বললাম, কি খবর? চমকে আমার দিকে তাকিয়ে বললো ‘ভালো’। আমি বললাম, কেমন কাটলো? ও বললো ‘ঠান্ডা’ ছিলো। উত্তরটা এমন হবে হয়তো ভাবি নি, তাই বললাম ওকে পরে কথা হবে।

দুপুর গড়িয়ে বিকাল। এর ভিতরে সিলভারের সাথে দেখা হয়েছে। সন্ধার কিছুটা পর আমি কাজ করছি। হঠাৎ ডায়ানা কথা বলা শুরু করলো। আমি বললাম, জানো আমি এবার বেশ কিছু কাজ করছি ইউনি তে। ও খুব একটা আগ্রহ দেখিয়ে আবার দমে গেলো।
একসময় বললো, আমি চলে যাব।
আমি বাসায় চলে যাব।
আগামীকাল প্রফেসরের সাথে কথা বলবো।
…আমি ঠিক বুঝতে না পেরে বললাম, কেনো, তোমার না প্লান পি এইচ ডি শুরু করা এবং অস্ট্রেলিয়াতেই সেটেল হওয়া?
ও বললো, হা ছিলো। কিন্তু ওর জন্য সব চেঞ্জ হয়ে গেলো।
আমি বললাম, কেনো ও চলে যেতে চায়?
ও বললো, না…কিন্তু ওর জন্য সব হয়েছে। বলেই সে ফুপিয়ে কান্না শুরু করে দিলো।

আমি বিষয়টা না বুঝে পুরোই খেই হারিয়ে ফেললাম। তাকিয়ে ছিলাম বেশ কিছুক্ষন ওর চোখের দিকে। ব্যাকুল ভাবে তাকিয়ে কাদছিলো। একটু সামলে নেওয়ার পর  বললাম, খুলে বলো কি হয়েছে।

ডায়ানা যা বললো,
বেইজিং এ ফেরার পরই সিলভার তাকে জানিয়ে দেয় সে ব্রেক আপ চায়। ও খুব অবাক হয়ে বলে কেনো? ও তখন নাকি অনেক কিছু বলে ওর সম্পর্কে। বলে, ডায়ানা খুবই নাকি সেলফফিস, ব্যবহার নাইস না এই ধরনের কথা। ডায়ানা জানালো, সবচেয়ে কস্টকর বিষয়টা তার কাছে হচ্ছে, যখন তার ফ্যামিলি বিষয়টা জেনেছে। সিলভারকে ডায়ানার আব্বু খুব পছন্দ করতো। সিলভার যখন ডায়ানাদের বাসায় যায় নি তখন বিষয়টা বাসায় জানাজানি হয়ে যায়। এর পর থেকে তারা খুবই মানসিক কস্টে আছে। ডায়ানারা মেন্টালি প্রিপারড ছিলো, এবাউট দেয়ার ম্যারেজ।
সে বললো, জানো আমি ওকে বিয়ে করতে চেয়েছিলাম। আমরা সবাই ই তাই চেয়েছিলাম।

কিন্তু…

…আমি ওকে অনেক অনুরোধ করছি। অনেক অনুরোধ করেছি ফিরে আসতে। কিন্তু সে আসে নি।

আমি কি বলবো বুঝতে না পেরে, ব্যথিত গলায় বললাম, I know it is very painful. ও কাদতে থাকলো। আমি আস্তে আস্তে তাকে বললাম, এটা কেনো হলো? সে বললো যে, সে বলেছে আমি সেলফিস। সেলফিসনেস তার পছন্দ না। আমি শুধুই নিজেটা ভাবি, সে এমনটা চায় না।
আমি বললাম, আমি জানি তুমি তেমন নও।
হঠাৎ বোকার মত আমি বললাম, Does he is hanging with someone?
প্রতিউত্তরে কান্না থামিয়ে ও খুব একটা অদ্ভদ একটা হাসি দিলো আমাকে। আমি এই হাসিটার কথা ভুলবো না। এখনো চোখে ভাসছে। হাসিটার ভিতর এক ঝলক আনন্দও যেন ছিলো, বিষয়টা এমন যে ও আনন্দিত তাই সেও আনন্দিত। আবার চোখ ভেজা, আবার একটু লজ্জা। Well, I have no experiences to see such an laughter in any situation, that’s why can’t co relate.

ডায়ানা জানালো, হ্যা একটা মেয়ে আছে।

বলে সে দপ করে আবার নিভে গেলো। বললো, আমি চলে যাব। থাকবো না।
আমি মৃদুগলায় বললাম, তুমি অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পি এইচ ডি শুরু করতে পারো। এখানে হয়তো থাকলে না কিন্তু তোমার কিউ ইউ টির মাস্টার্সের কারনে অন্য যে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে একটা পি এইচ ডি শুরু করতে পারবে। সে বললো, না আমি চলে যাব। আর যদি ফিরে আসিও তাহলে ২-৩ বছর পর আবার আসবো।
আমি বললাম, তুমি শক্ত হও। আমি জানি এটা খুবই খারাপ সময়, But you know what…! You are a Gorgeous lady. So many boys will want you to get. So don’t feel complete lost. ও বললো, আমি ওকে চেয়েছিলাম, ওকে ভালোবেসেছিলাম।
এর ভিতরে সে বললো, জানো আমরা এখনো ফ্রেন্ড আছি। তবে ও হয়তো থেকে যাবে কিন্তু আমি চলে যাব। খুব দ্রুত চলে যাব। বলে ফোপাতে থাকলো।

খুবই কস্ট করে বললাম, ডায়ানা আমার গাড়ি চলে যাচ্ছে। আমি যাই। এটা বলে আমি চলে আসলাম।
আমি আসলে পলালাম। আমি এমন সিচুয়েশন-এ কি করা উচিত বুঝতে পারছিলাম না। স্বান্তনা দেওয়ার ভাষা আমার জানা ছিলো না।
ও হাসি মুখে ‘গুড নাইট’ জানালো।

TWO:
Diary,
Last two days I didn’t talked to her, actually I haven’t got any chance to talk. Just Hi/Hello. She wasn’t regular to the lab. But I noticed that she had a long talk with supervisor. And I found she is started to packing everything around her…!
গতকাল দুপুরে ল্যাবে কেউ ছিলো না। লাঞ্চ করে আমি গিয়ে দেখি ডায়ানা একা ল্যাবে। সে সিলভারের ডেস্কে সিলভারের চেয়ারে চুপচাপ বসে আছে। এর আগে আমি কখনোই দেখিনি সে সিলভারের ডেস্কে সিলভারের চেয়ার বসেছে। সে যথেস্ট ডিফাইন্ড ছিলো। এই বিষয়টায় সে বেশ ঝরঝরা ছিলো, কিন্তু,…
কিভাবে গুটিশুটি হয়ে মাথা নিচু করে ও সিলভেরের ডেস্কে ওর অনুপস্থিতিতে চুপিচুপি বসে আছে।
সেই বসার ভিতরে কতটা মায়া ছিলো, কতটা ভালোবাসা…
সেই রেডিয়েশনে আমি থাকতে পারিনি।
….চুপচাপ রুম ছেড়ে চলে এসেছিলাম।

মাঝে মাঝে ভাবতে ইচ্ছা হয়। “ভালোবাসা” নামক জিনিসটা এমন না হলে কি হতো? অন্ধত্ব, মানসিক বন্ধাত্ব, খারাপ, তীব্র খারাপ, অযথা, কস্ট, তীব্র, তীব্র, তীব্রতর, দোষ, দোষারোপ, ঠকানো কিংবা ঠকে যাওয়া, কমিটমেন্ট, কিংবা চুপিচুপি তা ভেঙ্গে ফেলা, নিয়তি কিংবা নাটক সিনেমা। কি-ই বা হতো এই ব্যাথাটুকু না থাকলে।

আমি ভাবতে ভয় পাই। আমি ভীতু নই, তবে আমি জানি আমাকে দিয়ে অনেক কিছু হয় না, হয়তো হবেও না। My Destiny.


 


 

  

FB তে মন্তব্য করতে এখানে লিখুন (ব্লগে করতে নিচে) :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

 

Mountain View
নিচের Button গুলো Click করে কানেকটেড থাকতে পারো।
January 2019
S M T W T F S
« May    
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031