[মুখবন্ধঃ নোটটা লেখার পর এটার টাইটেল নামটা নিয়ে ভাবছিলাম, কি দেবো? কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে জয়েন করার পর প্রায় প্রতিটি বিষয়েই আমি দেখেছি ইনফরমাল একটা এপ্রোচ, Informal Touch. আসলে পরিবেশটা এমনই, ফ্রেন্ডলি এনভাইরনমেন্ট ছাড়া এখানে চলা আর চালানো প্রায় দুরহ। তবে, ধীরে ধীরে পরিবেশকে ফরমাল করতে হবে যেটা নিয়তির-ই একটা অংশ। তাই এই নোট-টি তে ইনফর্মাল ভাবে অনেক importantবিষয়ে আলোচনা করা হলেও আমি নোটটার একটা ফর্মাল নাম দিলাম। আমার উচিত ছিলো একটা ফর্মাল প্রগ্রাম করে স্টুডেন্টদের মতামত জানা আর বিদায়ী চেয়ারম্যানকে তার কন্ট্রিবুশনের জন্য Greet মাধ্যমে সন্মানিত করা। তবে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে সেটা আমি করতে পারিনি। তাই এই ভার্চুয়াল জগতের মাধ্যমে কিছুটা প্রয়োজন মেটানোর চেষ্টা করলাম।তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আমি তেমন একটা প্রগ্রাম করার চেষ্টা করব। ]

শ্রেষ্ঠ দেশপ্রেম হলো সর্বোত্তমভাবে নিজের কাজ করা।-দার্শনিক সক্রেটিস

১.
ইংরেজী বছরের শুভেচ্ছা জানিয়েই শুরু করছি।

A very happy new year-2014, to you all.

আর ধন্যবাদ জানাচ্ছি তোমাদের সবাইকে যারা বিভিন্ন মাধ্যমে আমাকে Greetings জানিয়েছো। বুঝতে পারছি, এই শুভেচ্ছার সাথে তোমাদের কিছু প্রত্যাশা আছে। কেউ কেউ সেই প্রত্যাশার কথা সরাসরি বলেছ। খুব ভালো লেগেছে। আমি সত্যিই শুনতে চাই, শুনতে চাই তোমাদের কথা। আমি পারব না হয়ত, ধরে নিচ্ছি পারব না কারন পরিবেশ তো পরিবর্তিত হয় নি, তবুও আমার জেনে রাখা দরকার তোমাদের ভাবনাটা, প্রয়োজনটা।
এটা খুবই স্বাভাবিক ছিলো, দায়িত্ব নেবার পর তোমাদের সাথে কথা বলা, কিন্তু দেশের উদ্ভুত পরিস্তিতিতে সেটা সংগতকারনেই সম্ভব হয় নি। তাই তো Virtually তোমাদের সাথে আমার এই কথোপকথন। এই নোট-টার নিচে তোমরা তোমাদের প্রত্যাশার কথা লিখতে ভুলবে না যেন…!

402863_365615250181255_680277693_n
Snap from a cheered extra curricular program.

২.
এবার নিজের কিছু কথা বলি। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা পেশায় এসেছি অনেকটা মোহবিষ্ট হয়ে। তাই আমার স্বপ্ন গুলো গড়ে উঠেছে এই সংকল্পকে ঘিরে। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে আমি আমার অনেক সময় দিয়েছি, কিছুটা পরিবর্তন সাধন করতে যেন একটা নুন্যতম পরিবেশ পাই যেখানে নিজের মত করে কিছু কাজ করব। প্রয়োজন বুঝেছি, প্রয়োজন মেটাবার জন্য প্রেসক্রিপশন তৈরি করে ফাইল বন্ধি করেছি আর সেই ফাইল নিয়ে অনেকের পিছু পিছুও ঘুরেছি…! এরই ধারাবাহিকতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতিতে নির্বাচন করেছি এই প্রত্যাশায় যে যদি সবাই একটু সুনজর দেয়…! আমার/আমাদের প্রয়োজন কে দ্বার্থহীনভাবে উপস্থাপন করেছি, প্রয়োজনীয় সময়ে আবার কখনো কখনো অপ্রাসঙ্গীক জায়গায়, হয়ত অ্প্রাসাঙ্গীকভাবেও। কখনো কখনো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত যে প্রসেস আছে, যা গ্রহনযোগ্য নয় এবং আমি খুবই অপছন্দ করি, তা-ও করে দেখেছি। কিন্তু একটা সময় মনে হচ্ছিলো, হলো না কিছু। পুরো সময়টা জীবন থেকে শুধুই নস্ট হয়ে গেলো। তবে সম্পুর্ন নিরাশার কিছু নেই, এক্কেবারে শেষে হলেও বিদায়বেলা ভিসি মহোদয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টার্নেট আর যুগোপোযোগী ওয়েবসাইটের জন্য যথাক্রমে ৫ লক্ষ আর ২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দিয়ে গিয়েছেন আর বর্তমান ভিসি মহোদয় বিষয়টা খুবই প্রাওরিটি বেসিসে দেখছেন। আমি স্যারকে বলে এসেছি, আমি ভলেনটারি করে যাব, যখনই এই দুটি বিষয়ে আমায় ডাকবেন আমি চলে আসব।। তারপরও শুধু বাজেট না, ইমপ্লিমেন্টেশনটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। তাই তাকিয়ে আছি সামনের দিকে।
যাইহোক, সবকিছু অনুধাবন করে আমি মনেকরি বিশ্ববিদ্যালয় তার নিজেস্ব গতিতে চলুক, কেননা আমরা এই গতির নিয়ামক না। বরং আমরা যেটা করতে পারি সেটা হচ্ছে একটা অলটারনেটিভ তৈরি করে নিজেদের প্রয়োজন মেটাতে পারি। কিভাবে করতে পারি, কি কি দরকার এটাই এখন বিবেচ্য প্রশ্ন।

৩.
দুটো জিনিস দরকার। এক-Work Force আর দুই-Finance. ডিপার্টমেন্ট-এ প্রয়োজনীয় জনবলের অভাব আছে। সত্যি বলতে কি, without responsibility (charge of Chairmanship) আর with responsibility তে এই আমার মধ্যে অতিরিক্ত তেমন কিছুই যুক্ত হয় নি। আমাদের অফিস ব্যাবস্থায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা কিংবা কর্মচারী নেই। এই অর্থে আমার তেমন কিছু করার নেই। তবে হ্যা, তোমরা আছো। তোমরা কিন্তু খুবই ইফেক্টিভ ওয়ার্কফোর্স হিসাবে এক্ট করতে পারো। ডিপার্টমেন্ট জনবলের অভাব যেমন আমার জন্য নেগেটিভ, ব্যাপারটা কিছুটা হলেও তোমাদের কারো কারো জন্য পজেটিভ হতে পারে। কেননা তোমরা এক্ট করতে পারো। সবাই পারবে না, তবে যে চাইবে সে পারবে। বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় বড় ডিপার্টমেন্টে যেটা চাইলেও করা সম্ভব নয়। শিখে নেবার এ এক অপুর্ব সুযোগ।

ফাইন্যান্স, অর্থ, বা ব্যালেন্স যাই বলো। খুবই দরকার। খুবই। আমার এমন কথায় তোমরা হয়তো হাসছো। কেউ কেউ বলছো, এ তো জানা কথা। আবার অনেকেই ভাবছো, স্যার কি বলে (!), আমরা পড়তে এসেছি, পড়াশুনাই আমাদের কর্তব্য, টাকাপয়সার কথা আমরা ভাবতে চাই না।। শুনো, তোমাদের বলি, এই আমি, আমরা বিজ্ঞানের স্টুডেন্ট। ইলিমেন্টারি লেভেল থেকে সবচেয়ে ভালো পারফর্মার। প্রথম সারির স্টুডেন্টদের ছাড়া স্কুলে সায়েন্স দেওয়া হত না, অথচ আমরা কি শেষ পর্যন্ত সেই প্রথম সারির নাগরিক হতে পারছি? আমরা হয়ত নম্র ভদ্র আর মার্জিত থাকছি। ভালো স্টুডেন্ট হবার বদৌলতে দেশে কিছু কিছু ভালো জায়গায় চাকরি করতে পারছি আবার দেশের বাইরেও চলে যেতে পারছি। কিন্তু কি সবাই পারছি? না, তুলনামুলক ভাবে খুব-ই কম সংখ্যকই এটা পারছি, অথচ সবার-ই প্রথম সারীতে থাকার কথা ছিলো। থাকতে পারছি না কেনো জানো? কারন আমাদের পড়াশুনা ডাইভার্সিফাইড না। তোমাদের অনেকেই যারা ভাবো, টাকাপয়সা খুব ইম্প্ররটেন্ট একটা ব্যাপার না।
(আমি একটা সায়েন্সের সমীক্ষা থেকে এই মাইন্ডসেটটা ইউজ করছি। একটা স্টেজে আমাদের বেশিভাগ পরিবার তার সন্তানদের শিক্ষা দেয় যে মানুষ হতে হবে, সচ্চরিত্রবান হতে হবে। কিন্তু তারা সম্পদের প্রয়োজনটা শেখায় না, ভাবে লোভী হয়ে যাবে সন্তান। অথচ আমাদের উচিত পরিবার থেকেই সঠিক উপায়ে সম্পদশালী হবার ট্রেনিং দেওয়া)।
তারা একটা ভুল শিক্ষা পেয়েছো এই সমাজ/পরিবার থেকে। সম্পদ অবশ্যই প্রয়োজন বিশেষত এই জাগতিক দুনিয়ায় প্রয়োজন মেটাতে সম্পদ প্রয়োজন তবে হ্যা, অবশ্যই সৎ উপায়ে তা আরোহন করতে হবে।
অভারওল, আমাদের অবস্থান কোথায়? এটা নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে। দেখো, বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্টার্নেট সেবা সহ অন্যন্য প্রয়োজনীয় উপকরন অনুপস্থিত তার কারন অপ্রতুল বাজেট (অবহেলা অবশ্যই আছে)। বাজেট মানে, সেই টাকা। যেটাকে আমরা অনেকেই ইম্পর্টেন্ট ফ্যাক্ট মনে করি না বা পড়াশুনার উদ্দেশ্যর সাথে মেলাতে পারি না। অথচ দেখো, এই ফাইন্যান্স সার্কুলাইজেশনের জন্য ফাইন্যান্স নামে গ্রাডুয়েশন কোর্স আছে, আছে ইকোনমিক্স, আছে আরো অন্যন্য বিষয় যা থেকে ব্যালেন্সের গুরুত্ব আমাদের বুঝতে শেখা উচিত। যাইহোক, ডেভেলপমেন্টের জন্য এখন কিছু বাজেট পাশ হয়েছে, কাজ শুরু হবে আশাকরি।
তেমন-ই আমার ডিপার্ট্মেন্টে বাজেটের সল্পতা আছে, সাহসাই যার কিঞ্চিত  অংশ দুরভিত হবে আশা করি। কেননা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু কাজ আমরা করে দিয়েছে যার পারিশ্রমিক হিসাবে বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের একটা ব্যালেন্স দিবে। তবে তা ও পর্যাপ্ত নয় একটা টেকিনিক্যাল ডিপার্টমেন্টের জন্য।
(লেখাটার এই অংশটা বেশ ইম্পর্টেন্ট, এটা মিক্সড মতামতের সৃষ্টি করবে আমি জানি। বিতর্ক হলে ক্ষতি নেই তবে খুব করে বিতর্ক করার আগে কারো কোন পয়েন্টে প্রশ্ন থাকলে জানানোর জন্য অনুরোধ করি।)

৪.
কথায় আছে, প্রথমে দর্শনধারী পরে গুন বিচারী। মার্কেটিং নির্ভর এই আধুনিকযুগে এটা মহা সত্য। আমাদের ডিপার্টমেন্টের ‘ব্রান্ডিং’ করতে হবে। এখনই এটা শুরু করতে হবে, নতুবা যারা গ্রাজুয়েশন শেষ করে জব মার্কেটে ঢুকবে, পরিচয় সংকটে পড়বে। তাছাড়া আমাদের ডিপার্টমেন্ট-এ ভালো ভালো রেজাল্টধারী স্টুডেন্টদের এডমিশন নেওয়াটা ধীরে ধীরে কমে আসবে।
ব্রান্ডিং না করলে এগুলো অবিশম্ভাবী Near Future। আর এমনটা ঘটবে ভাবলেই আমি শিওরে উঠি। তোমরা কি ভাবো?

৫.
ডিপার্টমেন্টে আমাদের একটা মাত্র ক্লাব আছে, Programming Club. এটা সতস্ফুর্ত নয়। এই ধরনের ক্লাবের একটিভিটিজ লিমিটেড। তাই প্রগ্রামিং ক্লাবের পাশাপাশি একটা IT Club করতে চাচ্ছি। যেখানে শুধু-ই আমার ডিপার্টমেন্টের স্টুডেন্টরাই নয়, সমগ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্টরা মেম্বার হতে পারবে।

৬.
আমার কিছু ‘মস্তান’ স্টুডেন্ট দরকার।
ভয় পেও না, রাজনৈতিক মস্তান না। একাডেমিক মস্তান। কিছু খুবই একটিভ Class Representative (CR), Teaching Assistant(TA) আর Volunteer দরকার। যারা ডিপার্টমেন্টের গতির ক্যাটালাইস্ট হিসাবে কাজ করবে। এ বিষয়ে আমি সবার মতামত নিবো আর কোয়ালিটি, আগ্রহ বিচার করে নির্বাচন করব।

৭.
In the meantime, অনেক গুলো দাবী এসেছে আমার কাছে। :), স্বাভাবিক। তবে একটা বিষয়ে আমি আলোকপাত করতে চাই, আর সেটা হচ্ছে সম্ভাব্য সেশনজট। ডিপার্টমেন্টে দুটি ব্যাচে সেশনজট আছে, আর দেশের উদ্ভুত পরিস্থিতিতে সব ব্যাচেই কিছু জট লাগবে। এই বিষয়ে আমি কিছু শর্ট টার্ম মেজারস নিবো, যার একটি অংশে তোমাদের রোল আছে। সময় হলে এই বিষয়েও বিশদ আলোচনা করব।

However,
That’s all for this time. I hope you people read this post which I have written for you, my students. And if you have any Idea, observation, demand or even thought don’t forget to type below this post.

Lets have sing this song…

  

FB তে মন্তব্য করতে এখানে লিখুন (ব্লগে করতে নিচে) :

63 Responses to Note from the desk of the Chairman

  • Matin Mahmud says:

    স্যার অসাধারন লিখেছেন।অনেক ধন্যবাদ

  • Matin Mahmud says:

    We are always with u Sir. বিগত এক
    বছরে আমাদের অনেক গেপেজ আছে.আপনার এই নতুন
    দাইত্ব ভার অর্পণের
    ফলে আসা করি আপনাকে আমরা আরো কাছে পাব
    এবং আমাদের সকল গেপেজ দূর করতে পারবো। আপনার
    নিবির পরিচর্যা এবং আমাদের পরিশ্রমের ফলে আমরা programmin contest জয়
    করে সারা বাংলাদেশকে তাক লাগায়ে দিবো এই
    উচ্চাকাংখা করি এবং আমার বিশ্বাস আমরা পারবো।
    আপনার জন্যে অনেক শুভ কামনা রইল.THANK YOU

  • Afsar Pervez says:

    Sir, I have some personal views on branding about our department. I think, if we can make an effective plan, then it will help us to hold our assessment.
    I would like to work as a volunteer.
    I think, we need to make our existing club more active as we actually need it to be performed. We can focus us through this programming club. What you said about IT club, we can regulate few task that IT related on the banner of our programming club to focus it and make it active. If I have opportunity to talk about those things, then it is great, I am interested to share my opinion in this purpose.

    Thanks for your writing. I would like to work if I have opportunity.

    • Fida Hasan says:

      Afsar, I think it is a part of your responsibility to act for the Department as you are a current student of it. Yes, if you help to spread the good deeds of your department someday you will get feedback of its when you would be an alumni.
      However, I will happy to hear from you, your thought. But I will be more happy if you act. And I personally encourage you to act for the department. Thanks, Meet me at my chamber.

  • Bipasa Sharmin Setu says:

    স্যার অসম্ভব ভাল লেগেছে আপনার এ নোটটি পড়ে ।জানতে পেরেছি আপনার সুন্দর সুন্দর effective স্বপ্নগুলোর কথা আর পেয়েছি আমাদের অনুপ্রেরণা মূলক দিকনির্দেশনা ।স্যার আমাদের ডিপার্টপেন্ট নিয়ে অনেক স্বপ্ন ।সে জন্য ক্ষুদ্র থেকে ব্হৎ সব ধরনের উদ্যোগ নিতে হবে ।আমি আমার অবস্হান থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।ICTএর চেয়ারম্যান হিসেবে আপনার কাছে অনেক expectation. একটা একটা করে আমাদের সব স্বপ্ন পূরণ হবে ।অনেক active দেখতে চাই আমাদের ডিপার্টম্যান্ট কে।আমাদের সেশন জট নিয়ে শর্ট টার্ম মেজরস এর কথা শুনে হতাশা দূর হয়েছে স্যার ।wifi এখনো পাইনি আশা করি হয়ে যাবে স্যার ।ক্লাসরুম সংকট,জনবল সংকট থেকেও মুক্তি চাই স্যার।আমাদের একটা সায়েন্স ক্লাব চাই স্যার ।আর মাখদুমের কমেনটে আমাদের সবার plan and expectation তুলে ধরা হয়েছে স্যার :-)।আমার লিখায় ভূলগলোর জন্য ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি স্যার।Thank u so much for this great note n for giving us the chance to express our opinion…. .

    • Fida Hasan says:

      বিপাশা, তোমার মন্তব্যটি অনেক গুছিয়ে আর সুন্দর করে লেখা। ধন্যবাদ তোমায়। বিশেষত ধন্যবাদ দিচ্ছি এইজন্য যে তুমি অনেকটা দ্ব্যথহীন ভাবে বলেছো, তোমার অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ চেস্টা করবে। Very Good.
      Listen, there are some issues i.g. internet, wifi and website are not going to solve soon. But we could adopt our own way. A very important focus of this writing is the invoke to get free, in order to become independent. What I have found that, only two things is required, work force and financial assistance. I am happy that you people are very much encourage to act for the department. I wish, whatever the scale, might be narrow, but things will be changed soon insallah.
      However, unlike other universities I dont have any role to play any steps to mitigate infrastructural and manpower constrains which are the suffering causes here in CoU. But I will try to uphold the academic spirit by some other means If I can. Thank you again for your nice post Bipasha.

  • নিলয় রঞ্জন দেব says:

    স্যার প্রথমেই আমাদের কথা শুনতে চাওয়ার জন্যে আপনাকে আবারো ধন্যবাদ। আপনার সাথে একটা জায়গায় আমার দ্বিমত আছে, সেটা দিয়েই শুরু করছি। পারিবারিক শিক্ষার অংশটাতে আমার একটা ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গী আছে। আমাদের দেশের পিতা-মাতার একটা বড় অংশই তাদের সন্তানদের এই শিক্ষা দেয় যে “তাকে ভালো করে লেখা-পড়া করতে হবে, ভালো একটা ইউনিভার্সিটিতে চান্স পেতে হবে, একটা ভালো চাকরী করতে হবে, তাতে আয় ভালো হবে”। যার ফলে আজকে খ্যাতনামা ভার্সিটিগুলোর প্রথম সারির স্টুডেন্টদের মাঝে নিজের স্বপ্নকে ছুতে পাওয়ার চেয়ে বেশী উংসাহ কাজ করে বেশী টাকার চাকরী পাওয়ার ক্ষেত্রে। যার কারনে তার সৃষ্টিশীলতা হয়তো বিকশিত হতে পারেনি , আর নয়তো তার সৃষ্টিশীল চিন্তাগুলোর কখনোই জন্মই হয় নি। আপনিই একদিন আক্ষেপ করে বলেছিলেন, তোমরা যারা আজকে আই.সি.টি তে চান্স পেযেছো তারা সৃষ্টিশীল নাহ, কারন হিসেবে বলেছিলেন “তোমরা আই.সি.টি নিয়েছো কারন তোমরা ভালো রেজাল্ট করেছো বলে, কারোই স্বপ্ন ছিলো না আই.সি.টি তে পড়বো”। এর মূলেও আছে ঐ পারিবারিক শিক্ষা। জানি না কেন আপনি আপনার বিশ্বাস থেকে বের হয়ে এলেন। “ভালো করে পড়ো, বেশী আয় করতে পারবে” পারিবারিক নীতির কারনেই বুয়েটিয়ানরাও দেশের বিভিন্ন টেন্ডারের কাজে এসে দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ে, সেই মূর্খ রিক্সা-চালকের কাছে নৈতিকতার প্রশ্নে হার মানে, যে কিনা তার রিক্সায় ফেলে যাওয়া লক্ষ টাকা ফিরিয়ে দিয়েছে হাসি মুখে। আপনার কথা মত প্রথম সারির নাগরিক হওয়ার ক্ষেত্রেও ঐ পারিবারিক ব্যবসা শিক্ষাই আপনার রেশ পেছনে টেনে ধরতে পারে। একটা নিউজ মাঝে মধ্যেই আমাদের চোখে পড়ে আমাদের গ্রামগুলোতে কোয়ালিফাইড ডাক্তারের অভাব। এর একটা কারন হচ্ছে পরিবার গুলোতে গ্রাম সম্পর্কে একটা ভ্রান্ত ধারনার জন্ম দেওয়া, যার জন্যে পরবর্তীতে গ্রাম সম্পর্কে একটা ঘৃণা কাজ করে, গ্রামে বসবাস অপমানজনক মনে হয়। এই অবস্থার থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্যে আমাদের পরিবারগুলোতে এখন দার্শনিকতার চর্চা হওয়া দরকার। অসম্ভবের মতই মনে হয় এই চাওয়াকে, কারন সেই সক্রেটিসের সময় থেকে বর্তমান সভ্য সমাজপতি সবাই দার্শনিকতাকে নাস্তিকতা, উগ্রবাদীতা, উশৃঙ্খলাতার সাথে গুলিয়ে আসছেন

    অনেকেই অনেক কিছু চেয়ে নিয়েছেন। তারপরও আমি আমার অভিমত তুলে ধরছি। আমাদের ডির্পাটমেন্টে যেকোন কাজের সাথে হচ্ছে , হবে, করছিলাম, করবো জাতীয় শব্দগুলো খুব বেশী জড়িত থাকে। শেষে, “কাজটা আমরা করেছি” বাক্যটা খুব কমই শুনতে পাওয়া যায়। কেন এমনটা হয় তার উত্তর যতবারই আমি খুঁজেছি আমি কিছু বাধা/অভাব দেখেছি। আপনার একটা কথা আমার এই মুহূর্তে খুব মনে পড়ছে। আপনি ক্লাশে বলেছিলেন- মানুষ ২ ভাবে শেখে ১. কোন একটা কাজ করতে গিয়ে ঠেকে শেখে(experience) ২. কাজের বাধা বিপত্তিগুলো নিজের বিচক্ষণতা দিয়ে পার করে শেখে(Knowledge). আমি আই.সি.টি ডিপার্টমেন্ট নিয়ে কাজ করার সময় পাওয়া কিছু experiences শেয়ার করছি, আর তার সাথে আমার মতামত

    #আপনি ২ নং পয়েন্টে আপনার একটা কমিটমেন্টের কথা জানিয়েছেন, যে আপনাকে যখন ডাকা হবে তখনই ভলেন্টিয়ার হিসেবে কাজ করবেন ভিসি স্যার ও ভার্সিটির জন্য। এই রকম মানসিকতার কর্মী দরকার আই.সি.টি তথা ভার্সিটির সার্বিক উন্নতির জন্যে। কিন্তু এই মন- মানসিকতার কর্মীর সংখ্যা হাতে গোনা, আর তাদের ঠিকমত কাজে লাগানো যাচ্ছে না, আর বাকীদের মাঝেও এই মানসিকতার সৃষ্টি করা দরকার বলে আমার মনে হয়।

    #আই.সি.টি তে কোন কাজ করার সময় অনেকেরই পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি শোনা গেলেও পরে তাদেরকে আর খুজে পাওয়া যায় না। ফলে আমাদের অনেক উদ্যোগ আজ অসম্পূর্ণ, হতাশায় নিমজ্জিত। এই বিষয় গুলো আপনাদের হস্তক্ষেপ বাড়ানো হলে বোধ হয় অবস্থার উন্নতি হতে পারে।

    #আমি অনেক ভার্সিটিতে দেখেছি ফটোগ্রাফী এক্সজিবিশানের আয়োজনেও পর্যন্ত ছিলো প্রোগ্রামীং ক্লাব। কিন্তু আমাদের প্রোগ্রামিং ক্লাব মেম্বারদের একটা ধারনা যে এই ক্লাব শুধুই কনটেস্ট আয়োজন করার জন্যে , এটা দিয়ে যে ডিপার্মেন্টের ব্র্যান্ডিং সম্ভব তা অনেকেই হয়ত ভেবে দেখেন নি। আমি আমার প্রস্তাবটা আবারও রাখছি,যদিও এটা একবার রিজেক্ট হয়েছে কয়েকজনের দ্বারা তারপরও এখনকার স্কুল কলেজগুলোতে সিলেবাসে আই.সি.টি. যুক্ত হয়েছে। তা আমরা যদি গ্রুপ করে সপ্তাহের এক দিন একেক স্কুল ,কলেজে গিয়ে কম্পিউটারের বেসিকের উপর কিছুক্ষণ লেকচার দেই, তাতে আমাদের কিছু প্রফিট রয়েছে। ১/ তাদের প্রশ্ন উত্তরের মাধ্যমে আমাদের বেসিক জিনিস গুলো আরো ও পরিস্কার হবে। ২/ আমাদের একটা কমিউনিটির সৃষ্টি হবে। যাতে বিভিন্ন বিজ্ঞান মেলা(গুগল সায়েন্স ফেয়ার, ন্যাশনাল সায়েন্স ফেয়ার) বা অন্য কোন আয়োজনে আমরা তাদের একটা বড় অংশকে আমাদের পাশে পাবো। আর ঔসব কিছু না হলেও আমাদের ভার্সিটি তথা ডিপার্টমেন্টের নাম স্কুল, কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে পরিচিতি লাভ করবে।

    ##সকলেই আপনার কাছ থেকে রেডিক্যল/ম্যাজিক্যাল চেঞ্জ আশা করছে, আমি জানি না আপনি ম্যাজিক জানেন কিনা। কিন্তু আমি আপনার থেকে একটা ডাইনামিক সিস্টেমের প্রতাশা করি, যেখানে আই.সি.টি. স্টুডেন্টরা সারাক্ষণ গতিময় থাকবে তথাকথিত পরীক্ষা-মিডর্টামের জন্য নয়, হয়ত প্রযুক্তির নতুন কোন প্রজেক্ট নিয়ে……………..

    • Fida Hasan says:

      হুম, বেশ অনেক কথা তোমার জমে আছে বোঝা যাচ্ছে। কেননা, অনেক কথাই তুমি অল্প ভাষায় লিখেছো নিলয়। একটা রাস্ট্রের বুদ্ধিমান নাগরিকরা সমাজের উচু অবস্থানে থাকবে, রাস্ট্র ব্যাবস্থা সেটা নিশ্চিত করবে এটাই হবার কথা ছিলো। কিন্তু বাস্তব দৃশ্য ভিন্ন। একটা মানুষ স্টুডেন্ট থাকা অবস্থায় মুলত তার পরিবারের দৃষ্টিতে দেখে, চারপাশটা তার শিক্ষক আর আপনজনের দৃষ্টিতে দেখে। তারা শেখায় ভালো করতে হবে, মানুষ হতে হবে। তাই-ই তারা হয়। কিন্তু কর্মক্ষেত্রে এসে তারা দেখে তাদের মুল্যায়ন হচ্ছে না। তখন তাদের অনেকেই নিরুপায় হয়ে দুর্নীতির আশ্রয় নেয়। একজন ডাক্তার কেনো গ্রামে যাবে? সরকারী চাকরি নিয়ে গ্রামে গেলে সে তো ঠিক মত তার পরিবারের ভরন-পোষন ই করতে পারবে না। সে শুধুই মানব সেবা করার জন্য ডাক্তারী পড়ে নি। বরং সমাজের প্রতিষ্টাবানদের একজন হতেও সে চেষ্টা করেছে। (যেহেতু তুমি ডাক্তারদের কথা বললে তাই ওদের উদাহরনটাই আমি দিলাম।) একই সত্য সবার জন্য। জীবনের ৩০/৩২ বছর কষ্ট করে পড়াশুনা করে স্বাভাবিক জীবনের গ্যারান্টি এই রাষ্ট্রযন্ত্র কি দিতে পারছে সেই সকল মেধাবীদের?
      (সিঙ্গাপুরের ৮০% পারলামেন্ট মেম্বর ইঞ্জিনিয়ার, আমাদের দেশে কয়জনকে সেই স্থানে যেতে দেওয়া হয়?)
      নিজের জীবন থেকে বলি তোমায়। এই আমাকে, নিজেকে ইদানিং বোকা বোকা লাগে। মনে হয় ভুল প্রফেশনে চলে এসেছি। কেনো জানো? এই আমি আর ধরো নন-টেকনিক্যাল ডিপার্টমেন্ট এক জন সন্মানিত শিক্ষক যেমন বাঙ্গলা বা ইংলিশ। তাদের পড়াশুনা আর আমার কি এক? আমাকে প্রতিনিয়ত আপডেট হতে হয়। আমি ছাত্র জীবনে যে সকল বই পড়েছিলাম তার প্রায় প্রতিটি আমাকে চেঞ্জ করতে হয়েছে প্রফেশোনাল জীবনে। কিন্তু, রবিন্দ্রনাথ কিংবা শেকস্পিয়ার তো একবারই জন্মেছে। তার বিষয়টার সাথে তাই আপডেটের কোন ব্যাপার নেই। অথচ আমাকে নিত্যনতুন চ্যালেঞ্জেই থাকতে হচ্ছে একাডেমিক একটিভিটি নিয়ে। বিশ্ববিদ্যালয় যদি এই শিক্ষকদের দিকে আলাদা দৃষ্টি না দেয় বরং গরপরতায় ট্রিট করে তাহলে আমি কেন অন্য শিক্ষকের জীবন যাপন শূরু করবো না, যেখানে বেনিফিটের সম্ভাবনা আছে, যা পাচ্ছে তারা,…!
      বিষয়টা একেবারে পারসোনালি লিখলাম। তবে এই সমস্যাটার সাথে ডিপার্টমেন্ট কে ও তুলনা করা যায়। এই যেমন আইসিটি আর একটা নন-টেকনিক্যাল ডিপার্টমেন্টের বাজেট এক। আইসিটি কি চলতে পারছে? তাই, তোমার ডিপার্টমেণ্টের শিক্ষকদের কথা বলো না, তারা সবাই আজ ডিমোটিভেটেড।
      However, what I have found that, development in our department is very much related to the finance. This is not only true for our department but also a universal truth.
      পরিবারের দেখানো প্রসেসের সাথে বাস্তবতার দুরত্ব আছে। বাংলাদেশে পরিবার আর সমাজব্যাবস্থার ভিতরে ফিলোসফিক্যাল গ্যাপ আছে। পরিবার শেখাচ্ছে এক যেটার বড় একটা অংশ কাল্পনিক কেননা সমাজের চিত্র ভিন্ন। রাষ্ট্রযন্ত্র এটা তৈরি করেছে। খুবই Deliberately কাজটা করেছে। কিছু দিন আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য ডিপার্ট্মেন্টের একটা স্টুডেন্ট আমার চেম্বারে এসে আমাকে হেসে হেসে বলেছিলো, স্যার আপনাদের স্টুডেন্টা এতো বোকা কেনো? আমি বললাম, কেনো? সে বলে কেমন চুপ-চাপ। নিজেদের অধিকার আদায় করে নিতে পারে না…! আমি শুধুই তাকিয়ে ছিলাম তার দিকে। সে সত্য কথাই বলেছে। না কাদলে নাকি মাতা ও তার সন্তানকে খেতে দেয় না…! যদিও এর ব্যতিক্রমও আছে।
      আজকাল আমাদের Modesty এর ভ্যালুজ কেউ দেয় না। যদি দিতো তাহলে এতো লিখালিখির প্রয়োজন হতো না।
      তবে হ্যা, জগতটা যদি আমরা আমাদের মত করে গড়ে তুলতে পারি, তাহলে সেখানে আমাদের অবস্থান সমুন্যত থাকবে। এটাই স্বাভাবিক।

      আর হ্যা, :), সবাই আমাকে নিয়ে কি ভাবছে সেটা বিষয় না। তুমি কি ভাবছো সেটাই বিষয়। কেননা তোমার ভাবনার সাথে তোমার কন্টিবুশন, প্রচেষ্টা, আর আশা জড়িত থাকবে। আর আশা করতে ক্ষতি কি? এটলিস্ট আশা বা Hope মানুষকে উজ্জিবিত রাখে, প্রেরনা দেয়।

  • Anonymous says:

    Robaiat shaila
    Honestly to say…Sir,this is a very inspirational,nice,hopeful,informative post..thank you Sir, for leading us towards our dream……Please guide us……we are always with you…:

  • ROBAIAT SHAILA shila says:

    Honestly to say…Sir,this is a very inspirational,nice,hopeful,informative post..thank you Sir, for leading us towards our dream……Please guide us……we are always with you…:)..:)

    • Fida Hasan says:

      Thank you Shila for your nice comment. I am happy to hear that you people are ready to serve your department. This is very much positive attitude. So, as I said, STAY TUNED.

  • Mazharul Islam Ashik says:

    স্যার, আমরা আসলে সবাই ই চাই যে সকলের কাছে আমাদের কুবি’র প্রধান ফোকাস হবে আমাদের ICT dept. । আমাদের ওরিয়েন্টেশনে স্যার আপনি বলেছিলেন যে আমাদের ICT হচ্ছে কুবি’র top dept. এবং তখন থেকেই আমরা সাধ্যমত চেষ্টা করে যাচ্ছি সেই মর্যাদা ধরে রাখার। নিজেদেরকে যথেষ্ট update রাখার চেষ্টা করছি যাতে আমাদের দ্বারাই আমাদের dept এর ভাবমূর্তি প্রকাশ পায়। কিন্তু দু:খের সাথে বলতে হচ্ছে যে dept. এরই বিভিন্ন প্রতিকূলতার কারনে আমরা এ কাজটা করতে দারূন বেগ পেতে হচ্ছে । সবার কমেন্টেই সেই প্রতিকূলতা গুলো প্রকাশ পাচ্ছে তাই আর আলাদা করে কিছু বলতে চাচ্ছি না ।
    “ব্রান্ডিং” এর ব্যাপারে আমি ‘মাইনউদ্দিন’ ভাইয়ার সাথে একমত । এই ব্যাপারে এখন আমাদের চেয়ে প্রথম দিকের ব্যাচ গুলো বেশি ভুমিকা রাখতে পারে বলেই আমি মনে করি । তবে নিজেদের স্থানে থেকে যথাসাধ্য চেষ্টা করতে আমরাও প্রস্তুত ।
    স্যার ,”মস্তান” স্টুডেন্ট এর প্রসঙ্গে বলতে চাই যে আমাদের এই dept. এ অনেক একাডেমিক মস্তান আছে যারা তাদের মতো(!) একজন একাডেমিক “ওস্তাদ” এর অভাবে সঠিকভাবে বিকাশ লাভ করতে পারছে না । স্যার ,আপনি আমাদের সেই অভাবটা পূরন করবেন বলেই আশা রাখছি ।
    লিখায় কোনোপ্রকার ভুল হলে দয়া করে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন ।

    • Fida Hasan says:

      Thank you so much Mazharul for your nice comment. Yes, I know, we are not sufficient in number to guide so many students. We all are in some senses, overloaded. However, Let’s see what we could do in near future.
      And what I said, ICT is the top department. And always believe that, EAST OR WEST ICT IS THE BEST.

  • Pingback: Note from the desk of the Chairman-2 | Fida's Blog

Leave a Reply

Your email address will not be published.

 

Mountain View
নিচের Button গুলো Click করে কানেকটেড থাকতে পারো।
January 2019
S M T W T F S
« May    
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031